জুমবাংলা ডেস্ক: পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা সবসময় উন্নয়নের পক্ষে, আমাদের দলই হচ্ছে উন্নয়নের পক্ষে। মনে হয় যে, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে তৈরি করেছে। এজ ইফ এটা তাদের সম্পদ। এটা মানুষের পকেট কেটে কেটে কিন্তু নেয়া হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন।
গত ১০ ডিসেম্বর সবশেষ স্প্যানটি বসানোর পর সেতুর পুরোটাই দৃশ্যমান হওয়ার পর এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়াই আসেনি বিএনপির পক্ষ থেকে। আর এ জন্য সরকারি দলের আক্রমণের মুখেও পড়তে হচ্ছে তাদের।
সোমবার দলের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদেরকে ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে ফখরুলের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা পদ্মা সেতু নিয়ে প্রশ্ন রাখেন।
প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, তারা যেন পৈতৃক সম্পত্তি দিয়ে সেতু বানাইছেন। এক জন (তথ্যমন্ত্রী) বলতেছেন, বিএনপি ওপর দিয়ে যাবে নাকি নিচ দিয়ে। হেহ…এজ ইফ তার সম্পত্তি এটা। অথচ মানুষের পকেট কেটে কেটে যে নিচ্ছে তার হিসাব নেই। প্রতিনিয়ত ট্যাক্স নিচ্ছে, এক টাকার জায়গায় ১০ টাকা।
তিনি বলেন, দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাট চলছে। প্রত্যেকটা জায়গায় তারা মুনাফা খোঁজে। যেমন বাড়ি-ঘর বানাবে, উড়াল সেতু বানাচ্ছে, মেগা প্রজেক্ট বানাচ্ছে, মেগা দুর্নীতি করছে।
১২ ডিসেম্বর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, নিম্ন আদালতের বিচারকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করছে, যে কথাটা আমরা বার বার বলে আসছি, উদ্বেগ প্রকাশ করছি-বাংলাদেশ মূলত একটি একদলীয় শাসনের দেশে পরিণত হয়ে গেছে। উদ্বেগজনক যে, বিচারকরাও এর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের আগে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা জরুরি বলে মনে করে বিএনপি। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নৈতিক ও যৌক্তিক ভূমিকায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ফখরুল বলেন, সরকারের সার্বিক অব্যবস্থাপনা ও দুর্বৃত্তায়নের ধারাবাহিক পরিণতিই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক স্থবিরতার প্রধান কারণ। এজন্য সবার আগে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার দিকে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। তা হলেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য নির্বাচিত সরকার আন্তর্জাতিকভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, এমতাবস্থায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলকে নৈতিক ও যৌক্তিক ভূমিকায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


