Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘যে বাংলাদেশে এক সময় একটি রাস্তা বা একটি কালভার্ট নির্মাণে বিদেশিদের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। সেই বাংলাদেশ এখন ১২ মিলিয়ন ডলারে রুপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র করছে। সেই বাংলাদেশ ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মাতার বাড়ীর মত গভীর সমুদ্র বন্দর করছে। হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে পায়রাবন্দর করছে এবং আমাদের স্বপ্নের সেতু যে সেতু নিয়ে খালেদা জিয়া-ড. ইউনুসরা ষড়যন্ত্র করেছেলি। বিশ্বব্যাংক ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান হয়েছে। এই দৃশ্যমান শুধু আমাদের চোখে নয় এই পদ্মা সেতুর মধ্যে দিয়ে এই উন্নয়নগুলোর মধ্যে দিয়ে সারা দুনিয়া এখন বাংলাদেশকে দেখছে।’

বুধবার (৬ জানুয়ারি) বেলা তিনটায় ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল আলী আকবর এমপি অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী স্কুল কর্তৃক আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, অতীতে অনেক সরকার এসেছে, গেছে। জিয়া, এরশাদ, খালেদা সরকারেরা তারা মানুষের জন্য কিছু করেনি, দেশের জন্য কিছু করেনি। দেশটাকে লুটপাট করে দুর্নীতির আড্ডা খানায় পরিণত করেছে, মাদক দিয়ে যুবক তরুণদেরকে বিকলাঙ্গ করার চেষ্টা করেছে। এই ছিল বাংলাদেশ। আজকে সেই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে কোন গৃহহীন থাকবে না। এক সময় মানুষের খাদ্য বস্ত্র চিকিৎসার অভাব ছিল এখন এই অভাবগুলো নেয়। বিনামুল্য বই বিতরণ হয়, এমন কোন শিশু নেই যারা স্কুলে যায় না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার যখন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেছিল তখন প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা শুরু করেছিল। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে এসেছিল।

সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটার সভাপতিত্বে এ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) নুর কতুবুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার কামাল হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান প্রমুখ।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.