
আজ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার। পরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে আফরিন আক্তার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।
আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) কয়েকটি উদ্যোগের জায়গা আছে, যেমন জলবায়ু পরিবর্তন, এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান মন্ত্রী।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যে জায়গাগুলোয় আমাদের সহযোগিতা করতে চায়, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী, আমরা জলবায়ুকে কীভাবে দেখছি, পরিবেশের বিষয়গুলো কীভাবে দেখছি—তারা একটা ধারণা চেয়েছে। তারা যখন তাদের পরিকল্পনাগুলো চূড়ান্ত করবে, তখন আমাদের চাহিদাগুলো মাথায় রাখবে। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত আছে। আগামী দিনে এটাকে কীভাবে আরও জোরালো করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন তাদের অগ্রাধিকার বিষয়। এটার ওপর ভর করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনে আরও জোরালো হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের তারা কোনো চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছে কি না, তা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ুর বিষয়টি প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ। এটা যে একটা জরুরি বিষয়, তা তাঁরা উপলব্ধি করেন। তাঁরা মনে করেন, বাংলাদেশ বিগত বছরগুলোয় যেভাবে এগিয়েছে, এ ধারা যদি আমরা ধরে রাখতে চাই, তাহলে এই উন্নয়নের একটা স্থায়িত্ব থাকা প্রয়োজন। এটা টেকসই হতে হবে এবং টেকসই হতে হলে পরিবেশবান্ধব হতে হবে। পরিবর্তনের বিষয়গুলো আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে, যেটা আমরা দিচ্ছি।’
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ শুধু ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তা নয়, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অনেক সমাধানও আছে। তারা বাংলাদেশকে একটা রোল মডেল হিসেবে দেখে। জলবায়ু তহবিলে অর্থায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান পরিবেশমন্ত্রী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



