Advertisement
জুমবাংলঅ ডেস্ক : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হয়ে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া (ভিআরএস) প্রায় দুইশ’ বিমানকর্মীর পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী কর্মীরা জানান, ১৭ বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও মিলছে না তাদের নায্য পাওনা। বিমানের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাওনা টাকাগুলো হলো বিমানের টিকিট, মেডিকেল ও বোনাস।

ভুক্তভোগী জানান, ২০০৭ সালের ১ জুলাই বিমানের কথায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান ১৯৫ জন বিমানকর্মী। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মারাও গেছেন বলে জানান, ভুক্তভোগীদের কয়েকজন। ওই সময় তাদের ২৫ বছর চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু বিমানের দেওয়া ঘোষণা অনুযায়ী এখনও তাদের এ তিনটি পাওনা পরিশোধ করেনি কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, কথা ছিল, যারা স্বেচ্ছায় অবসরে যাবেন, তাদের নির্দিষ্ট হারের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিধিমোতাবেক প্রাপ্য পূর্ণ সুবিধাও (অবসরজনিত) পাবেন তারা। এর মধ্যে বোনাস, মেডিকেল ভাতা, টিকিটও ছিল। এরপর বিমানকর্মীদের মধ্যে আগ্রহীরা এই প্রস্তাবে সম্মত হন। এ বিষয়ে দুইপক্ষের মধ্যে চুক্তিও হয়। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ বছর কেটে গেলেও বিমান কর্তৃপক্ষ তাদের এই সুবিধা দিচ্ছে না। সুবিধাগুলো আদায়ের জন্য তারা বিমানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী মারাও গেছেন। অনেকে অসুস্থ অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু এসব অসহায় সাবেক সহকর্মীর কথা শুনছেন না কর্তৃপক্ষ।

বিমানের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া প্রত্যেকের সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কারও পাওনা যদি বকেয়া থাকে, তাহলে তারা যেন বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘ

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Bhuiyan Md Tomal is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He works to ensure accuracy, clarity, and consistency in published content for digital audiences. His approach reflects a commitment to responsible journalism and quality reporting.