জুমবাংলা ডেস্ক: পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রচারণা ঘিরে সৃষ্ট হামলা-সংঘর্ষে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খলিল নামে এক ব্যক্তি নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। খলিল আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী কে এম গিয়াস উদ্দীনের কর্মী বলে জানা গেছে।
গোপালপুর থানার ওসি মোশারফ হোসেন এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় কোনাবাড়ী বাজারে নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রচারে ব্যবহৃত একটি ইজি বাইক আটক করে নৌকার কর্মীরা। এ নিয়ে বিবাদে নৌকার নির্বাচন অফিস ভাঙচুর করা হয়। আহত হয় নৌকার কর্মী ও পৌর কর্মচারী মাসুদ হোসেন। এটিকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কে এম গিয়াস উদ্দীনের পৌর শহরের বাসা ও দোকানপাটে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গিয়াস উদ্দীনকে শহরের বাসায় নৌকা প্রতীকের কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর নিজ গ্রাম ডুবাইল থেকে কয়েক শ কর্মী-সমর্থক লাঠিসোঁটা নিয়ে পৌর শহরের দিকে রওনা হয়। পথিমধ্যে পাকুয়া পেট্রল পাম্প এলাকায় নৌকার কর্মীরা তাদের বাধা দিলে দুপক্ষে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় খলিলসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। খলিলকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত খলিল পৌরসভার ডুবাইল আটাপাড়া গ্রামের নসিম আলীর পুত্র।
খলিল হত্যার প্রতিবাদে সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ডুবাইল গ্রামের বাসিন্দারা স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


