
এছাড়া আগামী নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদের শূণ্য আসনগুলোতে উপ-নির্বাচন করারও পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি।
এদিকে, পৌরসভার সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনটি হয়েছিল গত ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। নির্ধারিত সময়ের ৪০ থেকে ৪৫ দিন হাতে রেখে এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে ইসিকে। আর এজন্য মাঠ পর্যায় থেকে তালিকা সংগ্রহ করা, নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতা ও সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা পেয়েছেন ইসির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
ইসির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ইউপি আছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে পাঁচশ’র মতো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে আসন্ন ডিসেম্বরের মধ্যে সেগুলোতে ভোট হবে। বাকি ৪ হাজারের মতো নির্বাচন আগামী ২০২১ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, গত ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ইউপিতে বিভাগওয়ারী নির্বাচন হয়েছিল। এবারও একই প্রক্রিয়ায় করার প্রাথমিক পরিকল্পনার রয়েছে ইসির। করোনার কারণে স্থানীয় সরকারের স্থগিত ১১৫টি নির্বাচন এবং অপসারণ, পদত্যাগ, মৃত্যু ও মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নির্বাচন উপযোগী ১৮৭টি জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আসছে অক্টোবর থেকেই শুরু হবে। করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব নির্বাচন হবে।
বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউপির নির্বাচন শেষ হয় ওই বছরের ৪ জুন। আইন অনুযায়ী কোনো ইউপির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



