
রোববার রাজধানীর ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ঢাকার দুই সিটিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার পরও বিএনপির ফল প্রত্যাখ্যান এবং হরতাল আহ্বান দেশবাসীকে হতাশ-বিক্ষুব্ধ করেছে। জনগণ নির্বাচনে বিএনপিকে যেভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, আজ বিএনপির হরতালও একইভাবে বর্জন করেছে। এর পরও যদি বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার না করে, তা হলে তাদের দল জনগণ থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হবে এবং প্রত্যাখ্যাত হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, দাবি করে আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, অতীতের মতো কোথাও কোনো জাল ভোট দেয়া কিংবা কেন্দ্র দখল, ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তারপরও বিএনপি বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে মিথ্যা অভিযোগে ফল বর্জনের নাটক করেছে। তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ভোট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে এবং জনগণের রায় বর্জনের মধ্য দিয়ে দলটি পক্ষান্তরে গণতন্ত্রকে বর্জন করেছে।
নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার ব্যাখ্যায় নানক বলেন, এর জন্য দায়ী বিএনপির নির্বাচনবিরোধী চরিত্র। নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে বিএনপির নেতারা ও তাদের প্রার্থীরা ভোটারদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার হয় এমন ধরনের বক্তব্য দিয়ে আসছেন। বিএনপির আচরণ দেখে মনে হয়েছে, তারা জয়ের জন্য নয়, বরং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের জন্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠিনক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পাদক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপদফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


