বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৬৪ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইতালীয় সংবাদপত্র লা গাজ্জেত্তা দেলো স্পোর্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেবাস বলেন, ‘জাতীয় দলের সংখ্যা বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। ফুটবল শিল্প শুধু বিশ্বকাপকে ঘিরে নয়।

বিশ্বকাপ অবশ্যই সবচেয়ে বড় আসর; কিন্তু পুরো ফুটবল ব্যবস্থাকে এর চারপাশে ঘোরানো যায় না। এই খেলাকে টিকিয়ে রাখে মূলত দেশীয় লিগ ও প্রতিযোগিতাগুলো।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাত্র ৪০ দিনের একটি টুর্নামেন্ট এবং অল্পসংখ্যক খেলোয়াড়ের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা পুরো ফুটবল শিল্পকে ধ্বংস করছে, যেখানে এই শিল্পের ওপর নির্ভর করে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান। আমাদের দরকার কমসংখ্যক জাতীয় দল এবং দেশীয় ফুটবলের আরও বেশি সুরক্ষা। তারা বুঝতেই পারছে না যে, কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে তেবাস বলেন, ‘আমার মতে, অবশ্যই তার সরে যাওয়া উচিত। তার সময় শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি বিভিন্ন ফুটবল ফেডারেশনের সমর্থন পাচ্ছেন, তাই বাস্তবে খুব বেশি কিছু করার নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। কারণ কেউ নিশ্চিত পরাজয়ের মুখোমুখি হতে চায় না। পুরো ব্যবস্থাটাই ভেতর থেকে পচে গেছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



