এ বছরের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় আকাশের অনেক উঁচুতে অবস্থান করবে জানুয়ারির এ চাঁদ। ফলে চাঁদটিকে আরও দীর্ঘক্ষণ ও খুব সহজেই দেখা যাবে।বছরের প্রথম সুপারমুনের দেখা মিলতে যাচ্ছে খুব শিগগিরই।

যে বিশেষ মুহূর্তে চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে সে সময়ের পূর্ণিমার চাঁদকে সুপারমুন বলে। এ সময় খালি চোখে চাঁদটিকে সাধারণ সময়ের চেয়ে বড় ও অনেক বেশি উজ্জ্বল দেখায়।
রোববার হতে যাচ্ছে বছরের প্রথম পূর্ণিমা এবং সেদিন আকাশে চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বড় দেখাবে। ফেলে আসা বছরের অক্টোবর থেকে টানা যে ‘সুপারমুন’ দেখা যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবারেরটিই হতে যাচ্ছে তার শেষ পর্ব।
চাঁদ পৃথিবী থেকে গড় দূরত্বের চেয়ে কাছাকাছি চলে এলে ‘সুপারমুন’ ঘটে। ফলে এ সময় চাঁদকে সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বড় এবং ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখায় বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ পত্রিকা ইন্ডিপেনডেন্ট।
শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ চাঁদ তার পূর্ণতম অবস্থায় বা পূর্ণিমায় পৌঁছাবে। তবে এর আগের রাত থেকেই আকাশজুড়ে চাঁদটিকে বড় ও উজ্জ্বল গোলকের মতো দেখাবে।
জানুয়ারির এই পূর্ণিমাকে মাঝেমধ্যে ‘উলফ মুন’, ‘কোল্ড মুন’ বা ‘হার্ড মুন’ও বলা হয়। এসব নাম ঐতিহ্যবাহী হলেও এর অনেকগুলো ইদানীংকালেই বেশি পরিচিতি পেয়েছে।
অন্যান্য মহাজাগতিক দৃশ্যের মতো সুপারমুন দেখার জন্য বিশেষ কোনো যন্ত্র বা প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই, বরং অন্যান্য সূক্ষ্ম মহাজাগতিক ঘটনার তুলনায় কোনো জনবহুল বা ব্যস্ত জায়গা থেকে এ চাঁদ দেখার বিষয়টি বরং ভালো হতে পারে।
দিগন্তরেখায় থাকা বিভিন্ন বস্তু বা ভবনের পাশে চাঁদকে দেখলে এর বিশালতা ও নাটকীয় রূপ আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
এ বছরের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় আকাশের অনেক উঁচুতে অবস্থান করবে জানুয়ারির এ চাঁদ। ফলে চাঁদটিকে আরও দীর্ঘক্ষণ ও খুব সহজেই দেখা যাবে।
তবে চাঁদটি দেখতে কিছুটা কম রোমাঞ্চকর মনে হতে পারে। কারণ চাঁদ যখন আকাশের অনেক উপরে থাকে তখন পৃথিবীর কোনো বস্তুর সঙ্গে তুলনা করার সুযোগ থাকে না বলে একে ততটা বিশাল দেখায় না।
জানুয়ারির এ সুপারমুনটি ‘কোয়াড্রান্টিড’ উল্কাবৃষ্টি হওয়ার সময়ই দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে। ফলে উল্কাবৃষ্টি দেখা কিছুটা কঠিন হতে পারে। কারণ পূর্ণিমার চাঁদের তীব্র উজ্জ্বলতার কারণে আকাশে উল্কাদের ছুটে চলার ক্ষীণ আলো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জাপাকে নির্বাচনে সুযোগ দিলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি
সুপারমুনের সময় সাধারণ চাঁদের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল হয়। এ সময় চাঁদের আলো পুরো আকাশকে আলোকিত করে রাখবে। ফলে ছোট বা আবছা বিভিন্ন উল্কা চাঁদের আলোয় ঢাকা পড়ে যাবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


