
কিন্তু তাতেই হঠাৎ হাজির হন ইকার্দি। ২০১২-১৩ মৌসুমে তিনি যোগ দেন সাম্পদোরিয়াতে। একই দেশের হওয়ায় এই ক্লাবে লোপেজের সঙ্গে সম্পর্কটাও বন্ধুত্বে রূপ নেয় ইকার্দির। কিন্তু লোপেজ কি আর তখন জানতেন স্ত্রী নারা প্রেমে পড়েছেন ইকার্দির। সম্পর্কটা তাই আর বেশিদিন টেকেনি নারা-লোপেজের। তাদের বিচ্ছেদের পরই ইকার্দিকে বিয়ে করেন নারা।
এবার তাদের সংসারও টিকল না। তবে বিপত্তিটা বেধেছে আরও একটি জায়গায়। ইকার্দি নিজের পুরো শরীরজুড়েই নারা ও তার সন্তানদের ছবি ও নাম ট্যাটু করেছেন। বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর এখন সেগুলোর কী হবে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে।
নারাকে বিয়ে করার জন্য কম দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি ইকার্দিকে। বয়সে ৫ বছরের বড় এই নারীকে বিয়ে করায় জাতীয় দলে সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি, এমন কথাও ছড়িয়েছিল। মেসিসহ আর্জেন্টিনার কয়েকজনের ঘনিষ্ঠ লোপেজ। তাই নাকি গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েও সুযোগ মেলেনি ইকার্দির। ম্যারাডোনা তো একবার বলেওছিলেন, ‘বন্ধুর বউকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে, এমন ফুটবলারকে কখনো জাতীয় দলে নেওয়া উচিত না।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



