জুমবাংলা ডেস্ক : নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি সোনালী ব্যাগের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এ ব্যাগের আবিষ্কারক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খানকে দশ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৬ জানুয়ারি, ২০২০) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, পলিথিন এবং প্লাস্টিকের বহুল ব্যবহার মারাত্মকভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে। এজন্য সরকার নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি সোনালী ব্যাগের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এ ব্যাগের আবিষ্কারক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খানকে দশ কোটি টাকা প্রদান করেছে।
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় পরিবেশ সচেতনতামূলক বার্তাসমৃদ্ধ বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য রালি শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খানকে দেয়া এই অর্থ সোনালী ব্যাগের প্রতিটির বর্তমান বাজার দর দশ টাকা থেকে কমিয়ে পাঁচ টাকা এবং অধিক ব্যবহার উপযোগী করার গবেষণার কাজে ব্যয় করা হবে। গবেষণা সফল হলে জনগণ পলিথিনের পরিবর্তে পাটের সোনালী ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয় বায়ু, মাটি, পানি ও শব্দ সকল প্রকার পরিবেশ দূষণরোধে কাজ করছে। বায়ুমান উন্নত করতে নির্মল বায়ু আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। বায়ু দূষণ রোধে গত এক মাসে ঢাকার আশে পাশের অবৈধ ৯৯টি ইট ভাটা ধ্বংস করা হয়েছে, ৯৩টি ইট ভাটার মালিককে ৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সচিবালয়ের আশেপাশে শব্দ দূষণ রোধে হর্ন বাজানোয় ৬৬ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। হর্নবিহীন এলাকার পরিসর বৃদ্ধি করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, মারাত্মক পরিবেশ দূষণ রোধের সবচাইতে কার্যকরী উপায় জনসচেতনতা। এবিষয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করার অংশ হিসেবে বাণিজ্য মেলায় বার্তাসমৃদ্ধ বেলুন ওড়ানো হচ্ছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা এ বার্তায় পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে সচেতন হবে। এ সময় মন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের পরিবেশ দূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সহায়তা করার অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, বাণিজ্য মেলার ভিআইপি গেটে বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, এটি মেলার বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নে গিয়ে শেষ হয়। মন্ত্রী জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি, সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ.কে.এম. রফিক আহাম্মদসহ পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


