ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে স্থান পেতে খেলোয়াড়দের শতভাগ ফিট থাকা জরুরি—এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই লক্ষ্য সামনে রেখে নেইমার সান্তোসের হয়ে নিয়মিত খেলার চেষ্টা করছিলেন।

তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে বাকি থাকা ১৪ ম্যাচের মিশনে ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। এক ম্যাচ খেলেই কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞায় পড়ায় পরের ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন, এবং পরে দেওয়া মন্তব্যের কারণে আরও বড় শাস্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সান্তোসের পরবর্তী ম্যাচটি ফ্লেমিংগোর বিপক্ষে, যেখানে নিজের ফিটনেস প্রমাণের সুযোগ ছিল নেইমারের। রেমোর বিপক্ষে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড় তাকে পেছন থেকে ফাউল করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখান, যা নেইমার মেনে নিতে পারেননি। ম্যাচ শেষে তিনি অভিযোগ করেন, বারবার ফাউল করা হলেও রেফারি বিচার করেননি এবং প্রতিবাদ করার কারণে কার্ড দেখানো হয়েছে।
এছাড়া নেইমারের রেফারির আচরণ নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি তিনি নারীদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন, যা সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। এর আগে এমন ধরনের মন্তব্যের কারণে গুস্তাভো মার্কোস নামে এক ডিফেন্ডারকে ১২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ব্রাজিলের স্পোর্টস জাস্টিস কোড অনুযায়ী, বৈষম্যমূলক বা অবমাননাকর মন্তব্যে ৫ থেকে ১০ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা বা জরিমানা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ
যদি নেইমারও শাস্তির মুখে পড়েন, তাহলে তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বড় ধাক্কা খেতে পারে। জাতীয় দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শুধু খেললেই হবে না, সম্পূর্ণ ফিট থাকার প্রমাণও দিতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


