Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক : পাল্লেকেল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তামিম ইকবাল। ভেঙেছেন ১৩১ বছর আগের কীর্তি।

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর যখন ৫২, তখন তামিম অর্ধশতক করেন। দলীয় ইনিংসের সঙ্গে ব্যাটসম্যানের রানের ব্যবধান সবচেয়ে কম এটি। দীর্ঘদিন এই রেকর্ড দখলে ছিল অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান জন জেমস লায়ন্সের।

১৮৯০ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যখন অস্ট্রেলিয়ার দলীয় রান ৫৫ ছিল তখন অর্ধশতক হাঁকিয়েছিলেন লায়ন্স। ২০১৪ সালে এই রেকর্ড করেছিলেন ক্রিস গেইল। পোর্ট অব স্পেনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান যখন ৫৫ তখন ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন এই ক্যারিবীয় ওপেনার।

এদিকে পাল্লেকেল টেস্টে মাঠে গড়ানোর আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রাহক ছিলেন মুশফিকুর রহিম। আর এই ম্যাচ শেষে কীর্তিটা চলে গেলো তামিম ইকবালের দখলে। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনংসে ৭৪ রানের হার না মানা একটি ইনিংস খেলে শীর্ষে উঠে যান এই তারকা ওপেনার।

৬৩ টেস্ট খেলে তামিমের মোট সংগ্রহ ৪৬৭২ রান। আর ১০ টেস্ট বেশি খেলে মুশফিকের মোট রান ৪৬০৫ রান।

তামিমের এই সাফল্যের দিনে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা টেস্ট ড্র হয়েছে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৫৪১ রান করে। জবাবে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে করে ৬৪৮ রান। আর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১০০ রান করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৭৩ ওভারে ৫৪১/৭ (ডি.) (তামিম ৯০, সাইফ ০, শান্ত ১৬৩, মুমিনুল ১২৭, মুশফিক ৬৮*, লিটন ৫০, মিরাজ ৩, তাইজুল ২, তাসকিন ৬*; বিশ্ব ৪/৯৬)।

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ১৭৯ ওভারে ৬৪৮/৮ (ডি.) (করুনারত্নে ২৪৪, ধনাঞ্জয়া ১৬৬, নিসানকা ১২, ডিকভেলা ৩১, হাসারাঙ্গা ৪৩, লাকমল ২২*, বিশ্ব ০*; তাসকিন ৩/১১২, ইবাদত ১/৯৯, মিরাজ ১/১৬১, তাইজুল ২/১৬৪)।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৩ ওভারে ১০০/২ ( তামিম ৭৪*, সাইফ ১, শান্ত ০, মুমিনুল ২৩*, লাকমল ২/২১)।

ফল: ম্যাচ ড্র।

ম্যাচসেরা: দিমুথ করুনারত্নে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.