
জুমবাংলা ডেস্ক : নরসিংদীর মনোহরদীতে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া দুই শ্রমিক হলেন মনতলা গ্রামের হাসিম উদ্দিনের ছেলে হাসান মিয়া (৩২) এবং চরমান্দালিয়া গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে মোবারক (১৬)। এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করতে গিয়ে সজিব (২০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার উপজেলার চরমান্দারিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরমান্দালিয়া গ্রামের বাসিন্দা লালু মিয়ার বাড়িতে শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করছিলেন। শুক্রবার দুপুরে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে ঢালাই করা ছাদের বাঁশকাঠের সাটারিং খুলতে যান নির্মাণ শ্রমিক হাসান মিয়া। এরপর কয়েক মিনিট হয়ে গেলেও তার কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ সময় উপস্থিত থাকা প্রতিবেশী মোবারক ট্যাংকের ভেতরে নামেন। দীর্ঘক্ষণ তারও কোনো সাড়াশব্দ না মেলেনি।
পরে ওই বাড়ির মালিক লালু মিয়ার স্ত্রী প্রতিবেশী সজিব মিয়াকে ডেকে এনে ট্যাংকের ভেতরে নামতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এসে ট্যাংক ভেঙে তিনজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। হাসান এবং মোবারককে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সজিবকে কিশোরগঞ্জের ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা বন্ধ ছিল। ফলে সেখানে এক ধরণের বিষাক্ত গ্যাসের সৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত গ্যাস আর অক্সিজেন-সংকটের কারণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


