
বুধবার (২৫ মার্চ) খোদ মিঠুনই একথা জানালেন।
মিঠুন বললেন, ‘আমার কাছে তামিম ভাই ফোন করেছেন। আর আমার কাছে যেহেতু ফোন আসছে অবশ্যই সবার কাছে ওনার ফোনই যাবে।’
তাহলে তো বিষয়টি পরিষ্কার যে, মহতী উদ্যোগটি চট্টলার খান পরিবারের সন্তানই নিয়েছেন। এবং এর পেছনে উদ্দেশ্য কী সেটা বুঝতে কারোরই বেগ পাওয়ার কথা নয়। কেননা শুরুতেই তা উল্লেখ করা করা হয়েছে।
তবুও মিঠুনের কাছে জানতে চাওয়া হলো এবং তিনিও জানাতে সংকোচ করলেন না। ‘উদ্দেশ্য হচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগি বা যারা দুস্থ ওদের জন্য। তবে টাকাটা কোথায় দেওয়া হবে ওই সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে পরিস্থিতি বুঝে যাদের প্রয়োজন বেশি বা যাদের কাজে দেবে তাদের দেওয়া হবে, এরকম দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মূল বিষয় হলো, দেশের এই পরিস্থিতিতে সাহায্য করা উচিত সেটা চিন্তা করেই এই তহবিলটা করা।’
‘এটা ক্রিকেট বোর্ড বা অন্য কারো সিদ্ধান্ত না সম্পূর্ণই প্লেয়ারদের সিদ্ধান্ত। আমাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তামিম ভাই আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছেন আমার মত কি? আমি মতামত দিয়েছি। এভাবেই সবাই সবার মত দিয়েছে। তাই তহবিলটি গঠন সম্ভব হয়েছে।’
প্রাণঘাতী করোনায় দেশের ঘোর সংঙ্কটে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের নেওয়া পদক্ষেপটি নি:সন্দেহে দৃষ্টান্তস্থাপনকারী। এবং সেজন্য তারা ধন্যবাদ পেতেই পারেন। আর মহতী উদ্যোগটির কারণে তামিম ইকবাল অবশ্যই বিশেষ ধন্যবাদ প্রার্থী। সূত্র : সারাবাংলা
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



