
ইশান্ত শর্মার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে মিস করেন লিটন কুমার দাস। বল সরাসরি আঘাত হানে লিটনের হেলমেটে। তারপর ব্যাটিং চালিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারেননি লিটন। ফিজিও’র সঙ্গে কথা বলে ডেসিংরুমে ফেরেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরে স্ক্যানের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় তরুণ ক্রিকেটারকে।
লাঞ্চের পরপর আবারও ঘটে মাথায় আঘাত পাওয়ার ঘটনা। এবার মোহাম্মদ শামির বাউন্সার সরাসরি আঘাত হানে নাঈম হাসানের হেলমেটে। কোহলির মহানুভবতার দেখা গেল এর পরেই।
আম্পায়ার মারে ইরাশমাশ বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমের দিকে ইশারা করতে থাকেন ফিজিওকে মাঠে পাঠানোর জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের ফিজিওর দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে, তড়িঘড়ি চিকিত্সার প্রয়োজন ছিল নাঈমের। সেই সময় বিরাট ভারতীয় দলের ফিজিও নীতিন প্যাটেলকে মাঠে আসার জন্য ইশারা করেন। অধিনায়কের কথা শুনে নীতিন মাঠে এসে নাঈমের প্রাথমিক চিকিত্সা শুরু করেন। ইডেনে বিরাটের এই উদ্যোগ সবার নজর কাড়ল। কোহলির এমন মানবিক রূপ ও উপস্থিত বুদ্ধি যেন উদাহরণ তৈরি করল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



