মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশের উপস্থিতিতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টেঙ্গারচর ইউনিয়নের বড় ভাটেরচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ১২ জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, মিসকাত (৫৩), মানিক মিয়া (৭৮), জোসনা বেগম (৫০), রিমন (২০), মাজহারুল ইসলাম (১৭), ইউসুফ শেখ (৬১), অন্তর (২২), ইকদাদুল ( ৩৭), মোতালেব (৮০), হাইজুল (৩৮), আমির আলী (৬০) ও বাদল মিয়া (৪৯)। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে বড় ভাটেরচর পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মারুফ ও সৌরভকে মারধর করে মধ্য পাড়ার একদল যুবক। এ ঘটনার পর গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। শুক্রবার বিকেলে থানার এসআই ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, রাতে আহতদের মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে আনা হয়। আঘাত গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শেখ মো. সুলতান অভিযোগ করেন, আগের দিনের মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়ে ছিলাম। পুলিশ তদন্তে এলে আমরা সহযোগিতা করতে যাই। কিন্তু হামলাকারীরা পুনরায় আমাদের ওপর হামলা চালায়।
অপর পক্ষের হাসান, রাব্বি ও সানজিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা বক্তব্য দিতে সম্মতি দেননি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত গজারিয়া থানার এসআই ফিরোজ মিয়া বলেন, আমাদের তদন্তকালে হঠাৎ দুই পক্ষ বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করি।
গজারিয়া থানার ওসি হাসান আলী জানান, বড় ভাটেরচরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


