
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২২ বছরে জেলখানার ৩০ বছর পূর্ণ হয়। এর আগে ৩০ বছর সাজা খাটা এক হাজার ৬০০ জনের বেশি কয়েদির একটি তালিকা জেল কর্তৃপক্ষ দিয়েছিল। কিন্তু গত ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে কাউকে ছাড়া হয়নি। এর আগে ছাড়া হয়েছিল। এতদিনে পুঞ্জীভূত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্দেশনা রয়েছে- ধর্ষক ও নৃশংস খুনি যাতে না ছাড়া হয়। এ নির্দেশনা মাথায় রেখে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে এখন ৩৬৮ জন কয়েদিতে নিয়ে আসছি। তাদের মুক্তির প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে লঘুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৭০ কারাবন্দিকে মুক্তি দেয় সরকার।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



