
আজ সকালে রওশন এরশাদের বাসায় দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে নিয়ে যান তিনি। পরে তাদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিরোধীদলের নেতা রওশনের পরামর্শ নিয়ে দল পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যান। এ সময় মামলা প্রত্যাহার করারও অনুরোধ করেন তিনি।
অন্যদিকে, আগামী ১ জানুয়ারি জাপার অনুষ্ঠেয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এক সঙ্গে পালনের প্রস্তাব দিয়েছেন রওশন এরশাদ।
নেতৃত্ব নিয়ে জাতীয় পার্টিতে দেবর-ভাবির বিরোধ নিষ্পত্তির পথে এগুচ্ছে বলে মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা। এর আগে রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে তাঁদের বৈঠক হয়।
জাপা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ পাঁচ মাস থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে ২৭ নভেম্বর দেশে ফিরে হোটেল ওয়েস্টিনে উঠেন রওশন এরশাদ। ২৯ নভেম্বর তাঁর সঙ্গে দেখা করেন জিএম কাদের।
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জীবদ্দশা থেকেই বিরোধ চলছে রওশন ও জিএম কাদেরের। এরশাদের মৃত্যুর পর বিরোধীদলীয় নেতার পদ দিয়ে তা প্রকাশ্যে আসছে। পরে দুই পক্ষের সমঝোতায় জাপার চেয়ারম্যান পদে জিএম কাদেরকে মেনে নেন রওশন। রওশনকেও বিরোধীদলীয় নেতার পদে মেনে জিএম কাদের। তিন বছর ধরে চলে আসা এই স্তিতিবস্থা গত আগস্টে ভাঙে। জিএম কাদের বিএনপির সুরে সরকারের সমালোচনা করছেন- এমন কারণ দেখিয়ে তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরাতে জাতীয় পার্টির কাউন্সিল ডাকেন রওশন। এর প্রতিক্রিয়ায় রওশনকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে সরাতে তৎপর হন জিএম কাদের।
জাপার ২৬ এমপির ২৪ জনের সমর্থন নিয়ে স্পিকারকে ১ সেপ্টেম্বর চিঠি দেন জিএম কাদের। তবে তিন মাসেও স্পিকারের স্বীকৃতি পাননি। উল্টো রওশনপন্থিদের মামলায় দলীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে গত মাস রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে হয় জিএম কাদেরকে।
অপরদিকে দেশে ফিরে রওশন এরশাদ জানিয়েছিলেন, দলে ঐক্য চান। জিএম কাদেরের সঙ্গেও আলোচনায় বসবেন। শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেছেন, ‘রওশন এরশাদ বিমানবন্দরের বক্তব্যেই তো স্পষ্ট কোনো বিরোধ নেই।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



