এবার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে জয়পুরহাট-১ আসন। ভোট কেনা নিয়ে বিএনপি প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান ও স্বতস্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রণক্ষেত্র জয়পুরহাট

Advertisement

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জয়পুরহাট শহরের সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকার তাঁতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- শহরের তাজুর মোড় এলাকার রোমান হোসেন (৩৯), ফরিদপুর জেলার নগরকান্দার আল হামজা (৩০), ফরিদপুর জেলা সদরের তানজিদ (২৯), পাঁচবিবি দানেজপুরের তৌফিক হোসেন (২৬), শহরের শান্তিনগরের রাজিব হোসেন (৪০), আল আমিন (৩৫), ফরিদপুর জেলা সদরের সোহাস (২৪), রোহান, (২৬), ফরিদপুরের সদরপুরের আব্দুল্লাহ (২৬)।

জয়পুরহাট জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের পৌর কমিটির সাবেক আহবায়ক ও শ্রমিক নেতা গোলাম মর্তুজা শিপলু ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশিদ প্রধান অভিযোগ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এসে সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকার তাঁতিপাড়া মহল্লায় টাকা দিয়ে ভোট কিনছিল। এসময় লোকজন বাধা দিলে ধানের শীষ প্রতীকের কয়েকজন কর্মীকে তার ভাড়াটেরা মারপিট করে। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক রোহান, সোহাগ, আব্দুলাহ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা তাদের ভাবীর ভোটের জন্য জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কেন্দ্রের পাশে বুথ ( স্লীপ সরবরারের জায়গা) ঠিক করার জন্য দেখতে গেলে কয়েকজন তাদের মারধর করেছে।

জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক বলেন, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, সবাই আশঙ্কামুক্ত।

লক্ষ্মীপুরে ১৫ লাখ টাকাসহ আটক কৃষক দল নেতাকে যাচাই শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে

সদর থানার ওসি আনিছুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত আছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, স্বতস্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহারের শ্বশুর বাড়ি ফরিদপুর জেলা সদরে বলে জানা গেছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.