স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে চলতি অর্থবছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এই ধারা বজায় থাকলে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে টিসিবির কার্যক্রমে সরকারের আর কোনো ভর্তুকি প্রয়োজন হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কারওয়ান বাজারে টিসিবি ভবনের সামনে রমজান উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ভবিষ্যতে টিসিবির পণ্য তালিকায় সাবান ও চাসহ আরও কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের বিশেষ বিক্রয় কার্যক্রম ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া মোট ২০ দিন সাধারণ মানুষ এই সুবিধা পাবেন।
টিসিবি সূত্র জানায়, আসন্ন রমজান উপলক্ষে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুর সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে প্রতি কেজি ছোলা ৬০ টাকা এবং খেজুর ১৬০ টাকা দরে নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১১৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা এবং মসুর ডাল ৭০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারা।
একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল, ১ কেজি চিনি, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি ছোলা এবং বরাদ্দ সাপেক্ষে আধা কেজি খেজুর কেনার সুযোগ পাবেন। প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে প্রায় ৪০০ জন নিম্নআয়ের মানুষ এই সেবা নিতে পারবেন।
টিসিবির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, সারা দেশে ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ লাখ উপকারভোগীর কাছে ২৩ হাজার টন পণ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।
বণ্টন পরিকল্পনা: ঢাকা মেট্রোপলিটন: ৫০টি ট্রাক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন: ২০টি ট্রাক, অন্যান্য ৭টি সিটি কর্পোরেশন: ১৫টি করে ট্রাক এবং বাকি ৫৫ জেলা: ৫টি করে ট্রাক।
উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য নিয়মিত মাসিক পণ্য বিতরণ কার্যক্রমও যথারীতি চলমান থাকবে। কার্ডধারীরাও ভর্তুকি মূল্যে আগের নির্ধারিত পণ্যের পাশাপাশি রমজান উপলক্ষে বিশেষ দামে ছোলা ও খেজুর সংগ্রহ করতে পারবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


