আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৈঠক থেকে রাশিয়াকে কঠোর বার্তা দিল ন্যাটো। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা থেকে উড়ে এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। খবর রয়টার্স, এপি, ডয়চে ভেলে ও এএফপি’র।

বাইডেন আরও জানান, রাশিয়া যদি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে, তাহলে আমেরিকা তার সরাসরি জবাব দেবে।
অন্যদিকে ন্যাটো এবং জি ৭ বৈঠকে স্থির হয়েছে, পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো আরো বেশি সেনা পাটাবে। সুরক্ষার প্রয়োজনেই এ কাজ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ন্যাটোর প্রধান স্টলটেনবার্গ বলেছেন, স্লোভাকিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি এবং রোমানিয়ায় নতুন করে সেনা মোতায়েন করা হবে।
চেরনোবিল সংশয়
জাতিসংঘে পরমাণু বিষয়ক সংগঠন হলো দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)। সম্প্রতি তারা চেরনোবিল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনের ওই পরমাণু প্রকল্পটি এখন রাশিয়ার সেনার দখলে। ইউক্রেনের অভিযোগ, পরমাণু প্রকল্প থেকে মাত্র পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরত্বে লাগাতার বোমাবর্ষণ শুরু করেছে রাশিয়া। ফলে যে কোনো সময় পরমাণু প্রকল্পটিতে সমস্যা হতে পারে। ইতিমধ্যেই একবার প্রকল্পটিতে আগুন লেগেছিল। আবার তেমন কিছু ঘটলে বড় বিপদ হতে পারে।
শুধু তা-ই নয়। প্রকল্পটিতে রাশিয়া বেশ কিছু কর্মীকে আটকে রেখেছে বলেও অভিযোগ। তাদের দিয়ে দিনরাত কাজ করানো হচ্ছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিল ইউক্রেন। রাশিয়া এখন যে শহরে বোমাবর্ষণ করছে, সেখানে অধিকাংশই চেরনোবিলের কর্মীরা থাকেন।
উদ্ধারকাজ অব্যাহত
ইউক্রেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইরিনা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর থেকে তিন হাজার ৩৪৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে মারিউপল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুই হাজার ৭১৭ জনকে। বিভিন্ন সেফ প্যাসেজের মাধ্যমে সকলকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফেসবুকে এই আপডেট দিয়েছেন ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী। তবে তার অভিযোগ, মারিউপলে এখনো কোনোরকম মানবিক সাহায্য নিয়ে যেতে দিচ্ছে না রাশিয়ার সেনা। গোটা এলাকা কার্যত তারা ঘিরে রেখেছে। সেফ প্যাসেজেও লাগাতার বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে।
রাশিয়া আর এগোতে পারছে না
শুক্রবার ইউক্রেন দাবি করেছে, রাশিয়ার সেনা আর এগোতে পারছে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রধান উপদেষ্টা এদিন জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গায় রাশিয়ার সেনা আর এগোতে পারছে না। লড়াইয়ের শুরুতে রাশিয়ার সেনা আগ্রাসন দেখিয়েছিল। তারা দ্রুত বিভিন্ন শহর দখল করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এখন তারা ডিফেন্সিভ রণনীতি নিয়েছে। নিজেদের রক্ষা করার জায়গায় তারা পৌঁছে গেছে। তার দাবি, রাশিয়ার সেনার তেল, খাবার, গোলাগুলি ক্রমশ কমে আসছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



