
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আমার আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তখন মানুষকে আরো আতঙ্কিত করতে চাইনি। তাই এটি সেভাবে প্রকাশ করিনি, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যরা এটি জানতেন।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছোট ছেলে, আমার বড় ভাইয়ের এক মেয়ে, আমার স্ত্রী, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, আরও একজন আত্মীয় আমাদের সঙ্গে থাকত। তারা সবাই আক্রান্ত হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, সবাই সুস্থ হয়ে গেছে। আমারও কোনো জটিলতা হয়নি।’
ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘৯ অক্টোবরের দিকে আমার শরীরটা একটু খারাপ লাগছিল। মাথাটা ব্যথা করছিল, হালকা জ্বরও ছিল। মনে হলো সামথিং রং। আমি আইসোলেশনে চলে যাই। ১০ তারিখে (১০ অক্টোবর) আইইডিসিআরের কর্মীরা এসে স্যাম্পল নিয়ে যায়। ওইদিনই রাতে রিপোর্ট পেলাম পজিটিভ। পরে ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খেতে থাকলাম। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যদের পরীক্ষা করা হয়, রেজাল্ট পজিটিভ আসে।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমার তেমন কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। পরিবারের অন্যান্য আক্রান্তরাও ভালো ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘এরমধ্যেই ভার্চুয়ালি বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়েছি। ৩০ নভেম্বর কভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার কিছুদিন পর থেকে অফিস করা শুরু করেছি।’
মন্তব্য
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


