
লকডাউনের বিধিনিষেধ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
রবিবার (১৬ মে) উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে আজ ১৬ মে মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকারের রাজস্ব আদায়ের সাথে সম্পৃক্ত সকল দফতর/সংস্থাসমূহ জরুরি পরিষেবার আওতামুক্ত হবে। খাবারের দোকান ও হোটেল রেস্তোরাঁসমূহ কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করতে পারবে।’
এর আগে শনিবার লকডাউন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছিলেন, লকডাউন ১৭ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত করা হচ্ছে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে এপ্রিলের শুরুর দিকে গণপরিবহন চালু রেখে লকডাউন দেওয়া হয়। পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে তিন দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ মধ্যরাতে। শেষ হওয়ার আগেই আরেফ দফা বাড়ানোর ঘোষণা দিল সরকার।
বিধিনিষেধের বর্ধিত মেয়াদেও জেলার মধ্যে বাস চলবে। আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এছাড়া আগের মতোই বন্ধ থাকবে ট্রেন ও লঞ্চ।
এছাড়া লকডাউনে আগের মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। এছাড়া জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সীমিত পরিসরে হবে ব্যাংকে লেনদেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



