স্পোর্টস ডেস্ক : জুয়াড়িদের কালো তালিকা আছে আইসিসির কাছে। এদেরকে নাকি ট্র্যাকও করা হয়। তাহলে কখনো আটক করা হয় না কেন? এই বিতর্ক আছে পুরো ক্রিকেট বিশ্বেই। এ নিয়ে কাতারভিত্তির টেলিভিশন আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছিল, ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ম্যাচই নাকি পাতাতে পারেন এই জুয়াড়িরা!
সাকিবের সাথে কথিত আগারওয়ালের ম্যাসেজ আদান শুরু ২০১৭ সালের শেষের দিকে। এরপর আরো কয়েকবার হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ আদান প্রদান। যা আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটকে না জানিয়ে পরিষ্কার অপরাধ করেছেন সাকিব। শাস্তিও পেয়েছেন ১ বছর নিষিদ্ধ হয়ে।
বড় প্রশ্ন, সাকিব ও আগারওয়ালের মধ্যকার এই ম্যাসেজ আইসিসি কীভাবে পেলো? হোয়াটসঅ্যাপের এনক্রিপটেড ম্যাসেজ অন্য কারো জানার কথা না। হয় সাকিব কিংবা দীপক আগারওয়াল যেকোনো একজনকে ফাঁস করতে হবে এই ম্যাসেজ। এমনও হতে পারে সাকিব ম্যাচ ফিক্সিংয়ে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তথ্য ফাঁস করেছেন আগারওয়াল। কিংবা আগারওয়াল একটা রূপক ক্যারেক্টার। যিনি স্টিং অপারেশন চালিয়েছেন সাকিবের সাথে। প্রস্তাব দিয়ে ফাদে ফেলেছেন সাকিবকে! কথা হচ্ছে ক্রিকেটাররা ধরা পড়েন, কিন্তু কেনো আগারওয়ালের মতো জুয়াড়িরা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে?
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


