
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ময়েজ মঞ্জিলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের তিনতলা ভবনের দোতলা ও তিনতলার ড্রয়িং রুম ও বেডরুমের ওয়ারড্রব ও আলমারীর তালা ভেঙ্গে বিভিন্ন মালামাল তছনছ করা হয়েছে। সেখানে কাপড়চোপড়, তৈজষপত্রসহ ব্যবহার্য জিনিসপত্র মেঝেতে ফেলা। টেলিভিশন এবং এসি ছিলো। তবে কোনো মালামাল খোয়া যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ময়েজ মঞ্জিলের কেয়ারটেকার মো: আফসার খান বলেন, রবিবার (৪ জুলাই) রাত ১১টা পর্যন্ত তারা ময়েজ মঞ্জিলের পুরাতন ভবনের একটি কক্ষে অবস্থান করেন। পরে মূল বাউন্ডারির বাইরের কক্ষে এসে ঘুমিয়ে পরেন। সকালে এসে নতুন ভবনের কলাপসিকল গেটের তালা ভাঙ্গা দেখতে পান।
তিনি জানান, এর আগে সাম্প্রতিককালে আরও পাঁচবার ময়েজ মঞ্জিলে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কল) সুমন রঞ্জন সরকার সোমবার (৫ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি আশপাশে অনুসন্ধান করে উত্তরের সীমানা দেয়াল সংলগ্ন অজ্ঞাত ব্যক্তির পায়ের ছাপ দেখতে পান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে ময়েজ মঞ্জিল হওয়ায় তারা সঙ্গত কারণেই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছেন। টিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সোর্স ব্যবহার করে বিষয়টি গভীর তদন্ত করে দেখা হবে।
এর আগে সোমবার (৫ জুলাই) সকালে কোতোয়ালী থানার এসআই আনিসের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, বিষয়টি কি শুধুই চোরের হানা নাকি দুর্বৃত্তদের অন্য কোনো লক্ষ্য ছিল সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। আশা করি পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে দেখবেন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



