ইন্দোনেশিয়া সে দেশের হজযাত্রীদের হজের খরচ কমাতে মক্কায় হজভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি তারা হজ ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সৌদি আরবে হাজিদের অবস্থানকাল কমানোর পরিকল্পনা করছে। দেশটির স্টেট সেক্রেটারি প্রসেত্যো হাদি বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগের মাধ্যমে হজের খরচ যতটা সম্ভব কমানো যায়, যাতে হাজিদের আর্থিক চাপ হ্রাস পায়।
পশ্চিম জাভার বোগোরের হামবালাংয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো এটিকে যতটা সম্ভব সাশ্রয়ী করা। আমরা বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে আমাদের হাজিদের জন্য হজের খরচ কমাতে চাই। এই প্রচেষ্টার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো ইন্দোনেশিয়ার ব্যবস্থাপনায় একটি হজ ভিলেজ নির্মাণ করা, যার ফলে আবাসন ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। হজ মৌসুমে দেশে ফেরা জন্য হাজিদের অপেক্ষার সময় কমানো এবং অতিরিক্ত ফ্লাইটের বিষয়ে ইন্দোনেশিয়া আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ নেতানিয়াহুর শীর্ষ সহযোগী আটক, বেরিয়ে আসছে ‘থলের বিড়াল’
হাদি জানান, বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার হাজিরা সৌদি আরবে গড়ে প্রায় ৪১ দিন অবস্থান করেন। সরকার এই সময়সীমা কমিয়ে মালয়েশিয়ার গড় ৩১ দিনের কাছাকাছি আনতে চায়। অবস্থানকাল কমানো হলে আবাসন ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
হজ ও ওমরাহ বিষয়ক ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ ইরফান ইউসুফ জানান, প্রস্তাবিত হজ ভিলেজটি মক্কার থাখের এলাকায় অবস্থিত হবে। ওই এলাকার হোটেল কমপ্লেক্সটি রাষ্ট্র-সমর্থিত বিনিয়োগ সংস্থা দানান্তারা পরিচালনা করবে এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সেগুলো ইন্দোনেশীয় হাজিদের জন্য ব্যবহার করবে। তবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে এই হজ ভিলেজ ব্যবহার উপযোগী হবে না। সম্ভবত এটি ২০২৭ সাল থেকে চালু হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক হাজি ইন্দোনেশিয়া থেকে মক্কায় যান এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয় দীর্ঘদিন ধরেই সম্ভাব্য হাজিদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে আছে।
সূত্র: আনতারা নিউজ ডটকম
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


