
মাহবুব উল আলম হানিফ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘যারা জ্বালাও-পোড়াও করছে, তারা রেহাই পাবে না। যারা দেশের উন্নয়ন এবং অগ্রগতি মেনে নিতে পারে নাই, যারা একাত্তরের পরাজিত শক্তি যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত তাদের দোসর বিএনপি আর নব্য রাজাকারের দল হেফাজত ইসলাম, তারা একত্র হয়ে এই নারকীয় হামলায় অংশ নিয়েছে।’
হেফাজতে ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘এরা বাংলাদেশের সংবিধান মানতে চায় না। এরা দেশের জাতীয় সংগীত গাইতে চায় না, এরা জাতীয় পতাকারও সম্মান করতে চায় না। এরা বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানাতে চায়। যার কারণে এরা কোনো ইস্যু ছাড়াই, কোনো কারণ ছাড়াই এ ধরনের হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করেছে।’
‘যারা রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। একজনকেও রেহাই দেওয়া হবে না।’-যোগ করেন মাহবুব উল আলম হানিফ।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা প্রশাসনকে কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছি। যারা সরাসরি হামলায় জড়িত, যারা ইন্ধন দিয়েছে, যারা পরামর্শ দিয়েছে, তারা যে দলেরই হোক, যত শক্তিশালী ব্যক্তিই হোক তাদের বিচার করা হবে। তাদের কঠোর শাস্তি দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হবে রাষ্ট্রের শক্তির কাছে কোনো শক্তিই কাজে আসবে না।’
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় বিএনপি-জামায়াত জ্বালাও -পোড়াও করে বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল কিন্তু তারা পারেনি। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় রয়েছেন। তিনি দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। যারাই এই উন্নয়ন আর অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



