Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : একনেকের নতুন প্রকল্পে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের সব ভোটারের হাতে স্মার্টকার্ড পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে এনআইডি মহাপরিচালক। এছড়া ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদেরও দেয়া হবে পরিচয়পত্র। আর জন্মের পর প্রত্যেক শিশু পাবে ইউনিক আইডি।

স্মাট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালের তেসরা অক্টোবর। কথা ছিল দেশের ৯কোটি ভোটারের হাতে এটি পৌছে যাবে ৪০০ দিনের মধ্যেই। কিন্তু কিছুদিন পেরোতেই স্মার্টকার্ড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের ওবারথু কোম্পানীর সাথে টানাপড়েন শুরু হয় নির্বাচন কমিশননের।

বেশ কয়েকদিনের স্থবিরতার পর কমিশনের নিজস্ব উদ্যোগে স্মার্টকার্ড তৈরি শুরু হলেও প্রায় ৫ কোটি ভোটার এখনো পায়নি স্মার্ট কার্ড। বাইরে রয়ে গেছে হারানো কার্ড কিংবা সংশোধিত স্মার্টকার্ডের পুনঃমুদ্রন। এরমধ্যে নতুন টানাপড়েন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন নিজেদের নিজেদের অধীনে নেয়ার প্রস্তাব তোলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সব আলোচনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) আগামী ৫ বছরের জন্য ইসির অধীনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের আইডিএ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুমোদন দেয় একনেক। নতুন এই প্রকল্পের অধীনে ২০২২ সালের ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিকের হাতে স্মার্টকার্ড পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন এনআইডি ডিজি।

এনআইডি ডিজি জানান, আমরা কনফিডেন্ট যে প্রকল্প পাশ হয়েছে সেটা ২০২২ সালের মধ্যে সকল নাগরিককে স্মার্টকার্ড প্রদান করবো।

এছাড়া ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীরা পাবে পেপার লেমেনেটিং কার্ড। আর জন্মের পরপরই প্রত্যেক শিশু পাবে ইউনিক আইডি।

তিনি বলেন, আমাদের একজন শিশু জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ইউনিকার্ড প্রদান করবো। এটা আমরা আগামী বছর থেকে শুরু করবো। দ্বিতীয় ১০ বছরের বেশি যখন বয়স হবে তখন তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করবো।

বর্তমানে ১৪০টি সংস্থাকে সার্ভিস দেয় এনআইডি উইং। মহাপরিচালক জানান, নতুন এই প্রকল্পে সার্ভিসের আওতায় নিয়ে আসা হবে দেশের সকল সেবা সংস্থাকে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.