বিনোদন ডেস্ক : নব্বই দশকদের ঢাকাই সিনেমার ক্রেজ ছিলেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি ছুটে চলেছেন স্বমহিমায়। তার অভিনীত অসংখ্য ব্যবসাসফল মুভি আজো দর্শকদের মনে গেঁথে আছে। সামাজিকমাধ্যমে রয়েছে জনপ্রিয় এই নায়কের প্রতিনিয়ত বিচরণ।
সামাজিক, রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিকসহ চলমান যে কোনো ইস্যু নিয়ে ফেসবুকে তার সবর উপস্থিতি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি ভয়ানক তথ্য দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় করোনাভাইরাস নিয়ে।
পাঠকের জন্য ওমর সানীর লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“‘করোনাভাইরাস নিয়ে কিছু লিখার বিষয়ে দুই-তিন ধরে ভাবছিলাম কিন্তু সময়ের অভাবে লিখা হয়ে উঠছে না। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে ইসলাম ধর্মে শিকারী ও মাংসাশী পশু, পাখি খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে যা খাওয়ার কুফল আজ আমরা চীনে দেখতে পাচ্ছি কারণ চীনাদের খাবারের তালিকায় প্রায় সবধরণের প্রাণীর নাম আছে।
আবার পানির নীচে বাসকারী (যা কখনো ডাঙ্গায় আসে না) সকল প্রকার জীব হালাল করা হয়েছে। মাংসাশী প্রাণীগুলো হারাম করার মূল কারণ হলো একমাত্র ঐ প্রাণীগুলোই সবধরণের ঘাতক জীবানু বহন করে যা মানুষের মধ্যেও মরণব্যাধি বয়ে আনতে সক্ষম।
বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি খুঁজে পেয়েছে। চীনের উহান প্রদেশের একটি মাংসের দোকানে সাপ ও বাদুড়ের মাংস বিক্রি হতো। বাদুড় ঐ ভাইরাস বহণ করে, আবার সাপও বাদুড় খায়। মানুষ ঐ দুটোই খেয়েছে যার ফলস্বরূপ মানুষের শরীরে ঐ ভাইরাস ঢুকে পড়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে।
বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন মাছের মধ্যে নিরীক্ষা চালিয়ে বুঝতে পেরেছে যে ঐ ধরণের ঘাতকজীবাণু জলের নীচে যাতায়াতে অক্ষম। তাই মাছ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রামন হওয়া অসম্ভব। এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এবং তাড়াতাড়ি এর প্রতিরোধক বের না করলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই তা ব্যাপক আকার ধারণ করে পুরো পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়তে পারে। আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই গজব হতে রক্ষা করুন। আমীন।
আল্লাহ আমাদের এই আযাব থেকে হেফাযত রাখুন আমিন …..”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


