
২০১৫ সালে পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন একাডেমির নবম শ্রেণির ছাত্রী শামিমা আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ফেব্রয়ারিতে তাকে সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে খুঁজে পাওয়া যায়। এরপরই শামিমার পরিবার তাকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনার আবেদন করে। তবে ব্রিটিশ সরকার সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে এবং শামিমার নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করে নেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওই সময় ইমিগ্রেশন আপিল কমিশনে (এসআইএসি) আবেদন করেছিলেন শামিমা। চলতি মাসের প্রথম দিকে আপিল আদালত রায়ে সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে।
আল-রোজ শিবিরে আরেক আইএস ফেরত মার্কিন-কানাডীয় নারী কিম্বার্লি পোলম্যানের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে শামিমাকে। এবিসি নিউজের সাংবাদিকের কাছে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে আসেন নীল রঙের জিন্সের প্যান্ট ও মাথায় স্কার্ফ পরে। বন্দীশিবিরে চরমপন্থা প্রতিরোধে বোরকা নিষিদ্ধ করায় এখন তাকে এ ধরেনের পোশাকেই থাকতে হচ্ছে।
আপিল আদালতের রায়ে পরাজয় প্রসঙ্গে শামিমা বলেন, ‘আমার নাগরিকত্ব যখন প্রত্যাহার করা হয় তখন মনে হচ্ছিল, আমার সামনে পুরো পৃথিবী ভেঙে পড়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম আমার মামলাটি হয়তো ভিন্নভাবে নেওয়া হবে। কারণ আমি আইএসে যোগ দেওয়ার আগে আমি অন্যায় কোনো কিছু করিনি।’
এর আগে শামিমা বলেছিলেন, আইএসে যোগ দিয়ে তিনি অনুতপ্ত নন। সেই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এই তরুণী বলেন, ‘আমি জীবন নিয়ে আতঙ্কে ছিলাম। তখন আমি মাত্র বন্দীশিবিরে এসেছিলাম। কেবল তখন সন্তান প্রসব করেছিলাম।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



