
হাজিদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার স্বাস্থ্য, পরিবহন ও ভাষাগত সহায়তাসহ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
আজ থেকে আগামী কয়েক দিন মিনা ও আরাফাতসহ বিভিন্ন পবিত্র স্থানে হজের গুরুত্বপূর্ণ রীতিনীতি পালন করবেন হাজিরা।
৮ই জিলহজ হাজিরা মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মিনায় পৌঁছান। তাঁবু ঘেরা এই শহরে তারা দিন ও রাত ইবাদত ও দোয়ার মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করেন। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
ইতোমধ্যে সারাবিশ্ব থেকে আগত হাজিরা রবিবার (২৪ মে) এশার নামাজের পরই মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। মিনায় যাওয়ার আগে মুসল্লিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করেন।
৯ই জিলহজ হাজিরা মিনা থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে গমন করেন। হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা ও তাওবা করেন।
৯ই জিলহজ সূর্যাস্তের পর হাজিরা আরাফাত থেকে মুজদালিফার দিকে রওয়ানা হন। মিনা ও আরাফাতের মধ্যবর্তী এই উপত্যকায় তারা রাত কাটান। সেখানে তারা শয়তানকে মারার প্রতীকী পাথর সংগ্রহ করেন।
১০ই জিলহজ ভোরে মুজদালিফা থেকে হাজিরা পুনরায় মিনায় ফিরে যান এবং বড় শয়তানকে লক্ষ্য করে প্রথম পাথর নিক্ষেপ করেন। এরপর ১০ থেকে ১২ই জিলহজের মধ্যে যেকোনো সময় হাজিরা মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ (তাওয়াফে ইফাদাহ) এবং সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সায়ি সম্পন্ন করেন।
১১, ১২ এবং ১৩ই জিলহজ হাজিরা মিনায় তিনটি স্তম্ভে ধারাবাহিকভাবে পাথর নিক্ষেপ করেন। আগে থেকে সংগ্রহ করা নুড়ি পাথর দিয়ে তারা শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভগুলোতে এই আচার পালন করেন। সবশেষে মক্কায় গিয়ে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করার মাধ্যমে হজের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তি ঘটে।
এ বছর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দেড় মিলিয়নেরও বেশি মুসলিম পবিত্র হজ পালন করবেন। সূত্র : আরব নিউজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


