ইতালিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাস। ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান ভিএফএস গ্লোবাল জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনায় আবেদন, স্পন্সর ও ভাষাগত দক্ষতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) ভিএফএস গ্লোবাল জানায়, যেসব শিক্ষার্থী ইতালির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পোর্টালে নিয়মিত নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, তাদের সঙ্গে ভিএফএস ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে। এরপর আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। এতে আলাদাভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীরা যে ই-মেইল ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবন্ধন করেছেন, সেই একই ই-মেইলের মাধ্যমেই ভিএফএস গ্লোবাল তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
স্পন্সরশিপ ব্যবস্থায়ও এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন থেকে বাবা-মায়ের পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-ফুফু, মামা-খালা এবং কাজিনরাও শিক্ষার্থীদের আর্থিক গ্যারান্টর বা স্পন্সর হতে পারবেন। এমনকি ইতালিতে বসবাসরত আত্মীয়রাও স্পন্সর হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবেন।
ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, কেবলমাত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত ভাষা সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে। সেখানে মৌখিক, লিখিত, শ্রবণ ও কথোপকথনের দক্ষতার বিস্তারিত উল্লেখ থাকতে হবে।
এছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে অধ্যয়নের সত্যতা প্রমাণ হিসেবে সিআইএমইএ (CIMEA) বা ডিক্লেয়ারেশন অব ভ্যালু জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক-তালিকাভুক্তির জন্য স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৯ অক্টোবর।
নতুন এই নির্দেশনার ফলে ইতালিতে উচ্চশিক্ষা ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও কাঠামোবদ্ধ হলেও, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন ও যোগ্যতার শর্ত কিছুটা কঠোর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



