
বৃষ্টির পর স্থানীয় মেয়র জানান, ১৯৯০ সালের পর বৃহস্পতিবার রাতে সর্বচ্চো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে শহরের কেন্দ্রস্থলের অনেক অংশ নিমজ্জিত হয়ে প্রবল খরস্রোত সৃষ্টি হয়; যা শত শত গাড়ীকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
এদিকে বন্যার সময় ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় অনুসন্ধান চালিয়ে যায় ফায়ার সার্ভিস ও ফায়ার ফাইটার। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে ইতালিয়ান গণমাধ্যম প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, বন্যায় আন্ডারপাসে এক দম্পতি গাড়িতে আটকা পড়ে। তবে, স্থানীয় পুলিশ জানায়, ওই অঞ্চলে নিখোঁজদের কোনও খবর পায়নি।
এদিকে বন্যার কারণে মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ভোরে দমকলকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন যে, তারা পানি বের করে দেওয়ার সময় আন্ডারপাসের লোকদের সন্ধান চালান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, লোকজন বর্ষার ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের নিমজ্জিত যানবাহন ছেড়ে দিয়ে পানিতে সাঁতার কাটছিলেন। সেসময় রিসাইক্লিং বিন এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বন্যার পানিতে ভেসে যেতে দেখা যায়।
গণমাধ্যমে শহরের মেয়র অরল্যান্ডো বলেন, এই ধরনের বৃষ্টিপাতে শহরটির কোনও সতর্কতা ছিল না এবং নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা এই অঞ্চলের জন্য কোনও আবহাওয়ার সতর্কতা জারিও করেনি।
মেয়র আরও বলেন, যদি শহরটিতে আগাম সতর্কতা জানানো হতো। তাহলে সাধারণ মানুষ ঝুঁকিগুলি হ্রাস করতে পারতো।
পালেরমোতে বসবাস করেন বেশ কয়েক হাজার বাংলাদেশি। বাংলাদেশি কমিউনিটি ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোন বাংলাদেশি আহত বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



