
সোমবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ১১টায় ফিতা কেটে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।
প্রদর্শনীতে মিশরীয় সভ্যাতার নিদর্শন পিরামিড, সিন্ধু সভ্যতা, মহাস্থানগড়, ময়নামতি, শালবনবিহার, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ছাড়াও প্রাগৈতিহাসিক বিভিন্ন যুগের স্তর দেখানো হয়।
এর আগে বিভাগের সহযোগী সংগঠন আর্ট এন্ড হেরিটেজ সোসাইটি’র উদ্যোগে একটি র্যালি বের হয়। পরে কেক কেটে, বেলুন উড়িয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
আর্ট এন্ড হেরিটেজ সোসাইটির সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান খান বলেন, আর্ট এন্ড হেরিটেজ সোসাইটির দায়িত্বে আমরা যখন আসি তখন আমাদের একটা পরিকল্পনা ছিল যে বিভাগের ১০ বছর পূর্তির উপলক্ষে একটি সুন্দর অনুষ্ঠানের আয়োজন করব এবং তার ভিতরে প্রত্নতত্ত্বের একটি প্রদর্শনী রাখব। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রত্নতত্ত্বের বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় সভাপতি ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, যে কোনো জ্ঞানের সাথে যদি জনগণের সম্পৃক্ততা না হয় তাহলে সে জ্ঞান কাজে লাগে না। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের এই প্রদর্শনী। আমাদের এই কুমিল্লা অঞ্চলটি একটি সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। এই প্রত্নতত্ত্ব অঞ্চল সম্পর্কে আশপাশের মানুষ কে জানানোর জন্য এই প্রদর্শনী আয়োজন করেছি।

তিনি আরো বলেন, এই ধারাবাহিকতায় আমরা ফেব্রুয়ারি ২৭ ও ২৮ তারিখে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করতে যাচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ড. আসাদুজ্জামান, প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকীসহ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



