
এলিডিয়া তাঁর মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন এক বছর হল। আর বিষ্ময়কর কাণ্ডটাও ঘটল এক বছর পরই। হঠাত্ই এক মহিলা এম্মির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ফোনে জানান, তিনি দেখা করতে চান। কেন, কারণটা দেকা হলেই বলবেন বলে জানান। এম্মি রাজি হন। এর পর সেই মহিলা একটি মেয়েকে নিয়ে আসেন এম্মির কাছে। ব্রুকলিন নামের সেই মেয়েটির হৃদস্পন্দন শুনে লাফিয়ে ওঠেন এম্মি। এ তো তাঁর মেয়ের হৃদস্পন্দন! ব্রুকলিনের মধ্যে বেঁচে আছে এলিডিয়া। এলিডিয়ার হৃদযন্ত্রে নতুন জীবন পেয়েছে ব্রুকলিন। তাই ব্রুকলিনের মা এসেছিলেন এম্মিক সেটা জানাতে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



