
আগত মেহমানদের খাবারে বিলম্ব ঘটছিল বরপক্ষ না আসায়। কিন্তু বরযাত্রী নয় তখন সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সানজিদা মজুমদার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া ও মেয়েটির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী। থমকে যায় বিয়ের কাজ। বিকেলে কনের বাড়ির উঠানে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাল্যবিয়ের অপরাধ স্বীকার করে ছাত্রীর বাবা মা মুচলেকা দেন।
মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দেবেন না বলে জানান। এ পর্যায়ে আদালত তাদের শাস্তি থেকে মুক্তি দিলেও রান্না করা সব খাবার জব্দ করেন। এরপর তা ছোট ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেয়া হয় পাশের পিরোজপুর দারুল উলুম কওমী মাদরাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে। আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া।
শুক্রবার একই আদালত উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের হাটিলা গ্রামে ৯ম শ্রেনীতে পড়া এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে। সেদিন কনের বাবাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।-কালের কণ্ঠ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



