কক্সবাজারে চরম এলপিজি সংকটে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও পর্যটন শিল্প। চাহিদা থাকলেও বাজারে মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার। খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে এলপিজি বিক্রি হলেও তাও আবার সচরাচর পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।

গ্যাস সংকটের কারণে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় জ্বলছে না চুলা। ফলে প্রতিদিনই গ্যাস কিনতে এসে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে বাগ বিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। এমন দৃশ্য এখন নিত্যদিনের চিত্র পর্যটন নগরী কক্সবাজারে।
ভোক্তারা জানান, গত সপ্তাহেও যেখানে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১৮০০ টাকায় পাওয়া গেছে, সেখানে বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকায়। তাও আবার অনেক খুঁজেও গ্যাস মিলছে না। অনেকেই অভিযোগ করছেন, এলপিজি এখন একটি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তাদের কাছেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। সরবরাহ বন্ধ বা কম থাকায় তারা চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দিতে পারছেন না। অনেক দোকানে খালি সিলিন্ডার নিয়ে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
এদিকে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দাবি করছে, দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। তবে কক্সবাজারের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।
জেলা প্রশাসক জানান, এলপিজির সংকট সারা দেশের সমস্যা। তবে কোথাও সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকটের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ
বিশিষ্টজন ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত এ সংকট সমাধান না হলে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে। বিশেষ করে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটননির্ভর ব্যবসাগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও তীব্র হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


