আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে চেন কুইউশি নামক ওই সাংবাদিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তার পরিবার জানিয়েছে, ফোনে একাধিকবার রিং হলেও তিনি তা রিসিভ করছেন না। সিএনএন
হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের আর্তচিৎকার, রোগী ভর্তি হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও রাস্তায় পড়ে থাকা মরদেহ নিয়ে তৈরিকত তার প্রতিবেদনগুলো ছিল অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। তার একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, হুইল চেয়ারে মরে পড়ে থাকা স্বজনের পাশে বসে কয়েকজন ফোনে আত্মীয়দের সঙ্গে বিলাপের সুরে কথা বলছেন। অন্য একটি ছবিতে দেখা গেছে, সরকারি কর্মকর্তারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে বের করে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন। এমন অনেক ছবি ও ভিডিও ফাঁস হওয়ায় অস্বস্তিতে ছিল উহান কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে নিখোঁজের আগে দেয়া একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘স্টেডিয়ামে একসঙ্গে ১ হাজার ব্যক্তির শয্যার ব্যবস্থা করে দেয়া সহজ, তবে এতো লোক একসঙ্গে খাবে কীভাবে? এতগুলো মানুষের গোসলের ব্যবস্থা কীভাবে করা হবে, তারা টয়লেটে যাবে কীভাবে? তাদের কি ২৪ ঘণ্টায় মাস্ক পরিয়ে রাখতে হবে? আরেকটি ভিডিওতে তিনি দেখান, হাসপাতালের ভেতরে বাইরে যখনতখন যে কেউ অবাধে মাস্ক ছাড়াই ঢুকে যাচ্ছে।
সম্প্রতি আরেকটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশের কারণে গ্রেফতার হন ফাং বিন নামে অপর এক সাংবাদিক। তার প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায়, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মরদেহ গাদাগাদি করে বাসে লোড করা হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


