
বিষয়টি নিয়ে (১১ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সেখানে বলা হয়, কেবল মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করাই নয়, মৃত ব্যক্তির ছেলে পরে নিজের ফোনও বন্ধ করে দেন। ফলে বেকায়দায় পড়তে হয় দ্বারভাঙার ডিএমসিএইচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তার আগে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। সেখানে লিখিত আবেদনপত্র জমা দিয়ে তিনি দাবি করেন, তার পর্যাপ্ত লোকবল নেই। ফলে তার পক্ষে বাবার শেষকৃত্য করা সম্ভব না। এরপরই তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ব্যক্তির স্ত্রী এখনও জীবিত। কিন্তু তিনিও করোনায় আক্রান্ত। কেবল তিনিই নন, ওই পরিবারের সকলেই সংক্রমিত। তবে ছেলেটি করোনা আক্রান্ত নন। তবুও বাবার শেষকৃত্য করার বিষয়টি এড়িয়েই তিনি হাসপাতাল থেকে চলে যান।
অবস্থা বেগতিক দেখে কবীর সেবা প্রতিষ্ঠানে খবর দেওয়া হয়। তারাই শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধের দেহ দাহ করে। মধ্যরাতে সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য। কেবল মুসলিমরাই নন, প্রতিষ্ঠানের হিন্দু সদস্যরাও যোগ দেন তাতে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



