
এদের ডানার দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ ফুট ২ ইঞ্চি। ১৭৮০ সালের পর থেকে এদের খুব একটা দেখা যায়নি। এই ঈগলের লেজ সাদা, মাথা ফ্যাকাশে এবং ঠোঁটের রং হলুদ। পক্ষী বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখনও পর্যন্ত পুরুষ এবং মহিলা এই দুই প্রজাতিই দেখা গেছে। এরা বেঁচে থাকলে বংশ বিস্তার সম্ভব। তবে এই ঈগল একসঙ্গে চার বছর থাকলে তবেই বংশবিস্তার করতে পারবে।
এদিকে,এই ঈগল ভেড়া শিকার করে খেতে পছন্দ করে বলে ফার্ম মালিকই ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু যেহেতু তাদের খাবারের যথেষ্ঠ জোগান রয়েছে তাই এই মুহূর্তে তারা ভেড়া শিকার করবে না বলে মত পক্ষী বিশেষজ্ঞদের।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



