
সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে বলা হচ্ছে, দেশে জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে ট্রুডোর।
অন্যদিকে লিবারেল পার্টির প্রতিপক্ষ কনজারভেটিভ পার্টির জনপ্রিয়তা বাড়ছে। জনপ্রিয়তার বিচারে সম্প্রতি লিবারেল পার্টির থেকে ২০ পয়েন্ট এগিয়ে গেছে কনজারভেটিভ পার্টি। আগামী ২০২৫ সালে পার্লামেন্ট নির্বাচন হবে কানাডায়।
দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে সেই নির্বাচনে লিবারেল পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ট্রুডোর।
কিন্তু ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় ধস নামায় সামনের নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রুডোকে সরিয়ে দিলেও সমস্যার সমাধান হয়তো হবে না। আগামী নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়ে আনার মতো নেতা লিবারেল পার্টিতে দেখা যাচ্ছে না। সেই হিসেবে ট্রুডোর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি হয়নি দলটিতে।
গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত বুধবার রাজধানী অটোয়ায় কানাডার সরকারদলীয় এমপিদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক ছিল। ট্রুডো বা তাঁর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য সেখানে ছিলেন না। বৈঠকে অন্তত ২০ জন এমপি ট্রুডোকে পদত্যাগের আহবান জানিয়েছেন। অনেক আইনপ্রণেতা অবশ্য সেই দাবির বিরোধিতা করেও বক্তব্য দিয়েছেন। বৈঠকে মোট ১৫৩ জন এমপি উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



