
চলতি বছরের ৩ জুন কুষ্টিয়া চিনি কলের গুদামের স্টক রেজিস্টার মেলাতে গিয়ে ধরা পড়ে গুদামে প্রায় ৫৩ টন চিনির হদিস নাই। বিষয়টি জানাজানি হলে চিনিকল প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সে সময় এ ঘটনায় গঠণ করা হয় একাধিক তদন্ত কমিটি। পরে বিষয়টা নিয়ে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।
দুদকের তদন্তে উঠে আসে কুষ্টিয়া চিনি কলের উপ-ব্যবস্থাপক (ভান্ডার) আল আমিন, গুদামরক্ষক ফরিদুল হক ও শ্রমিক সরদার বশির উদ্দিন এই চিনি আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত। দুদক মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছে ওই তিন কর্মকর্তা কর্মচারী পরস্পর যোগসাজশে চিনিকলের ৫২.৭০০ টন চিনি আত্মসাৎ করেন। যার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ২০ হাজার ১০০ টাকা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



