আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে নাগরিক তালিকা ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’দের ঘাড় ধরে ডিটেনশন ক্যাম্পে ঢোকানোর কথা বলছেন মোদি–অমতরা।
সম্প্রতি আসামে নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ১৯ লাখ মানুষ। তাদেরও একে একে ভরে দেওয়া হচ্ছে ডিটেনশন ক্যাম্পে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে আসামের ডিটেনশন ক্যাম্প ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন ২০১৪ সালে।
লোকসভা নির্বাচনের কিছু আগে ওই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। আসাম সফরে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি একটি জনসভায় বলেছিলেন, আসামের ভাই–বোনদের বলছি, আমি আপনাদের কাছে এসেছি। আসামের মানুষকে আমি কথা দিচ্ছি, কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে ভেঙে গুড়িয়ে দেব ডিটেনশন ক্যাম্প।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। তার পরের ঘটনা আসামের প্রতিটি নাগরিকই জানেন। চলতি বছরে এসে প্রস্তুত করা হলো এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা। তাতেই বাদ পড়লেন লাখ লাখ মানুষ। তাদের ভবিষ্যত কী? ওই ডিটেনশন ক্যাম্পেই কী তাদের পচে মরতে হবে? সেই প্রশ্ন অনেক আগে থেকেই ওঠা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে একেবারেই চুপ মোদি সরকার। কিভাবে তারা আবার নাগরিকত্ব পাবেন? কী তার প্রক্রিয়া? অন্ধকারে গোটা ভারত। আসামের মতোই সারা ভারতে এনআরসি চালু করলে বাদ যেতে পারেন কোটি কোটি মানুষ। রাষ্ট্রহীন হওয়ার ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত মানুষজন।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে ডিটেনশন ক্যাম্পের কাজ সম্পূর্ণ করেছিল মোদি সরকার। শুধু তাই নয়, সারা ভারতে এনআরসি চালু করার জন্য বিভিন্ন রাজ্যে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির কাজ। সূত্র : কালের কন্ঠ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


