
স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি (এমপি) সারাদিন ঘুরে বেড়ান এলাকায়। উন্নয়নকাজ তদারকি ছাড়াও মানুষের খোঁজ খবর নেওয়াও তার নেশা। কোথায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, কার কি অভিযোগ, কে কিভাবে আছেন দেখে তাৎক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দেন। আজ শুক্রবার দুপুরের পর এমপি দেখতে যান স্থানীয় আবালধনি নামক একটি বাজারের বেহাল অবস্থা। আর এ সময় চোখে পড়ে বাজারের পাশেই একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভিতরে বসে রয়েছে কিছু যুবক। বুঝতে পারছেন জুয়া খেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আর ওই সময় হানা দিলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে এমপি উচ্চস্বরে কিছু করবেন না বলে আশ্বস্থ করে ফিরিয়ে আনেন। পরে কাছে ডেকে নিয়ে আর এই ধরনের অপকর্ম করবে না শর্তে শেষ বারের মতো ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নিজেদের নাম ঠিকানা ছাড়াও বাবার নামসহ লিখে রাখা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এই করেনাকালে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হচ্ছে অনেকেই। এদের প্রতিহত করতে কেউ এগিয়ে আসে না। এ অবস্থায় একজন সংসদ সদস্য নিজেই এদের কাছে এসে যেভাবে জুয়ার আড্ডা থেকে সরিয়ে এনে বোঝালেন তা নজিরবিহীন। একজন এমপির এই হস্তক্ষেপে হয়তো এই যুবকরা ভালো পথে ফিরে আসতেও পারে। এটা অনেকের কাছেই বিরল এক ঘটনা মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়েছে। এমপি নিজেও তার ফেসবুক আইডিতে ছবি দিয়ে এই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



