আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঝাড়খণ্ডে বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-এর জোট।
সোমবার ভোট গণনার শুরু থেকেই দু’পক্ষের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়েছিল। কিন্তু বেলা যত গড়াতে থাকে ততই ভোটের ফলাফল জোট শিবিরের দিকেই ঝুঁকে পড়তে শুরু করে। আর তাতেই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে যায় পালাবদলের ইঙ্গিত। ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় মোট আসন ৮১টি। সরকার গড়তে প্রয়োজন ৪১।
সোমবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে ফল ঘোষণা শুরু হয়। জেএমএম-কংগ্রেস জোট ইতিমধ্যে এ আসন নিশ্চিত করেছে। এ জোট ৪৩টি আসন জেতার পথে আছে। এটা নিশ্চিত হয়ে গেছে জেএমএম নেতা হেমন্ত সরেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন।
বিজয় নিশ্চিত হওয়ার আজ বিকেলে হেমন্ত সরেন বলেন, ‘ ধর্ম-বর্ণ-পেশা নির্বিশেষে আমি সবাইকে নিশ্চিত করতে চাই, তাদের প্রত্যাশা নষ্ট হবে না।’
বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র বিজয় শংকর শাস্ত্রী কার্যত পরাজয় মেনে নিয়েছেন।
এনডিটিভিকে তিনি বলেন, ‘ঝাড়খন্ডের ফলাফল আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত। বিজেপি ৬৫ আসনে জয় আশা করেছিল।’
২০০০ সালে গঠিত ঝাড়খণ্ড রাজ্য গত মাসেই ২০ বছরে পা দিয়েছে। এটি রাজ্যের চতুর্থ বিধানসভা নির্বাচন। এ দিন সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্রে বিজেপির সঙ্গে জোট থেকে শিবসেনা সরে যাওয়ায় ক্ষমতা থেকেও সরতে হয়েছে বিজেপিকে।
আয়তনে অনেক ছোট হলেও ঝাড়খণ্ডে শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী হয় সে দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশেরই। গত ৩০ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দফায় ঝাড়খন্ড বিধানসভার ভোট গ্রহণ হয়।
গত বছর তিন রাজ্য রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের নির্বাচনে পরাজিত হয় বিজেপি। তবে পরে লোকসভায় বিজেপি বিপুল বিজয় পেলেও সম্প্রতি হাতছাড়া হয় মহারাষ্ট্র।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


