
আটকদের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কয়েকজন। শনিবার মহেশপুর বিজিবি ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্টের পরে মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ। এদের মধ্যে আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী সাধন চন্দ্র চন্দ, সাবেক এক এমপি ও তিন ছাত্রলীগ ক্যাডারও ছিলেন।
এ ছাড়া সচিবালয়ে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেয়া এক আনসার সদস্যও মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন। বিগত তিন মাসে এ নিয়ে নারী, শিশুসহ আটক হয়েছেন অন্তত ৮৫৫ জন।
অপরদিকে বাংলাদেশি নাগরিক ছাড়াও গত চার মাসে মহেশপুর সীমান্ত থেকে এক ভারতীয় পুলিশ সদস্যসহ মোট ২৮ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবি। এছাড়া একই সীমান্ত থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ২০ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক করে বিজিবি সদস্যরা।
এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় মহেশপুর সীমান্ত এলাকায় ৫৮ বিজিবি’র বেশ কয়েকটি টিম সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। শুক্রবার রাত ও শনিবার উপজেলার মাটিলা, খোসালপুর, পলিয়ানপুর, বাঘাডাংগা, শ্যামকুড় এবং লড়াইঘাট সীমান্ত এলাকায় রাতভর এ অভিযান চালানো হয়। এসময় অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নারী ও শিশুসহ ৪৭ জনকে আটক করে বিজিবি। আটকদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
আটকদের মধ্যে ১২ জন নারী, ১৯ জন পুরুষ এবং ১৬ জন শিশু রয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন নারী, ১৬ জন শিশু ও ১৯ জন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ রয়েছেন। এদের সবাই অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।
বিজিবি’র সূত্র বলছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী পলিয়ানপুর, বাঘাডাংগা, শ্যামকুড়, মাটিলা, খোসালপুর, এবং লড়াইঘাট সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করেছে বিজিবি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



