
মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, নবজাতক চুরির পরে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ওই নারী হাসপাতাল থেকে বের হয়েছিলেন, তাকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে নিয়েই গতকাল রাত একটার দিকে সিএনজি চালককে সঙ্গে নিয়ে মালাকার মোড়ের লিপিকা মালাকারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। লিপিকা মালাকারের দুই মেয়ে। বর্তমানে তিনি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছে, তার আরেকটি মেয়ে হবে। অনাগত সন্তানের পাশাপাশি তিনি ছেলে সন্তানকে লালন-পালন করতে চেয়েছিলেন।
অন্তঃসত্ত্বা মা আরও পুলিশকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে গেলে তার এক অজ্ঞাত নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনি আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি নিজের ঠিকানা ওই নারীকে জানিয়ে বলেছিলেন, কেউ যদি নবজাতক ছেলে দত্তক দিতে চান, তাহলে যেন তাকে জানানো হয়। ওই নারী গতকাল দুপুরে লিপিকা মালাকারের বাড়িতে ওই নবজাতককে নিয়ে যান। ২ হাজার টাকা নিয়ে নবজাতকটিকে লিপিকার হাতে তুলে দিয়ে ফিরে যান তিনি।
এর আগে গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার বহির্বিভাগ থেকে এই নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটে। নবজাতকটি মো. আনিস মিয়া ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির। সম্প্রতি অন্তঃসত্ত্বা সুমাইয়া ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে নরসিংদীতে বাবার বাড়িতে আসেন। তার বাবার বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের চান্দেরপাড়া গ্রামে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



