
চার হাজার ২০০ ঘণ্টা সময় ব্যয়ে ২৩.৬ ফুট উচ্চতার রেপ্লিকাটি তৈরি করেন তিনি। তাতে সাত লাখ ছয় হাজার ৯০০ কাঠি এবং ২৩ কিলোগ্রাম আঠা ব্যবহার করেছেন রিচার্ড। রিচার্ড জানান, বাজারে পাওয়া দিয়াশলাই কিনে কাঠি থেকে লাল সালফারের অংশ কেটে ফেলে টাওয়ারটি নির্মাণ শুরু করেছিলেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বুঝতে পারেন, এটি সময়সাপেক্ষ এবং ক্লান্তিকর প্রক্রিয়া হবে।
পরে ফরাসি দিয়াশলাই প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বারুদবিহীন কাঠি কেনার আগ্রহ দেখান। তাদের দেওয়া কাঠি ব্যবহার করেই রেপ্লিকা তৈরি করেছেন তিনি।
গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর রেপ্লিকা তৈরির কাজ সম্পন্নের পর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রিচার্ড। তবে প্রথমে তাঁকে জানানো হয়, বাজারে পাওয়া যায় এমন দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়েই রেপ্লিকা প্রস্তুত হতে হবে।
এরপর গত বৃহস্পতিবার গিনেস কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে রিচার্ডের কাজের স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে রেপ্লিকাটি প্রদর্শনীর জন্য রাখা আছে। হাজার হাজার মানুষ সেটি দেখতে ভিড় করছে। অলিম্পিকে এটির প্রদর্শনী করতে চান রিচার্ড। সূত্র : বিবিসি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



