
বাংলাদেশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে বলছেন, যারা ডিটেনশন ক্যাম্পে আটক, যাদের পাসপোর্ট নেই তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। তাছাড়া কিভাবে বাংলাদেশ থেকে তারা এসেছেন, কেন শাস্তি পেয়েছে -এসব বিষয়ে খোঁজ-নেয়া হয়। যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তথা পাসপোর্ট নেই তাদের হাইকমিশন থেকে টিপি এবং অসামর্থ্যদের জন্য কমিউনিটির জনহিতৈশীদের সহায়তায় ফ্লাইট টিকিটের ব্যবস্থা করে দ্রুত দেশে প্রেরণ করা হয়।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতু খাইরুল দাজাইমি আবু দাউদ সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, মালয়েশিয়ার ১৪টি ডিটেনশন সেন্টারের মধ্যে ১২টি সেন্টারে ৩৮ জন নারীসহ মোট ১৩৮৪ বাংলাদেশি রয়েছেন। এর মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে। এছাড়া ডিটেনশন সেন্টারে এসব বাংলাদেশিসহ আটক বিভিন্ন দেশের ৮ হাজার ৭৭৪ জন রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, চলমান ‘ব্যাক ফর গুড’-এর আওতায় বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৫ হাজার ৩৪৪ জন বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা ইমিগ্রেশন অফিসে নিজ নিজ দেশে ফেরার আবেদন করেছেন। এর মধ্য থেকে ৫৬ হাজার ২৮৪ জন ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



